বিদ্যাসাগর দ্বিশততম জন্মবার্ষিকী উদযাপন কমিটির পক্ষ থেকে বড়ামারাতে মূর্তি উন্মোচন

শান্তনু রায়,পঃ মেদিনীপুর: এলাকায় কোন মনিষিদের মুর্তি না থাকার কারনে মনিষিদের নিয়ে তেমন চর্চা হচ্ছে না। তাই নতুন একটা বছরের সন্ধিক্ষনে দাঁড়িয়ে রবিবার মহামানব ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মূর্তি উন্মোচন হলো কেশিয়াড়ী ব্লকের ঘৃতগ্রাম ১ নং অঞ্চলের বড়ামারা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। এদিন বিদ্যাসাগরের জীবনের নানান অক্ষয় কীর্তি তুলে ধরেন অতিথিরা। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর দ্বিশততম জন্মবার্ষিকী উদযাপন কমিটির পক্ষ থেকে বড়ামারাতে মূর্তি উন্মোচন উপলক্ষ্যে শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয় । বিদ্যাসাগরের ছবি সম্বলিত প্লাকার্ড হাতে পথ হাঁটে পড়ুয়া সহ সকলেই।

শোভাযাত্রা সারা বড়ামারা গ্রাম পরিক্রমা করে মূর্তির পাদদেশে এসে শেষ হয়। মূর্তির আবরণ উন্মোচন করেন বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক পরেশ বেরা। এদিন এই কমিটির পক্ষ থেকে একটি পুস্তিকা প্রকাশ প্রকাশিত হয়। যার আনুষ্ঠানিক প্রকাশিত করেন বিশিষ্ট শিখ্যক নারায়নচন্দ্র প্রধান। এই সংগঠের পখ্য থেকে কিছুদিন আগে খাজরা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একটি বিদ্যাসাগরের আবখ্য মূর্তি বসানো হয়েছে ও খাজরা হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষকদের হাতেও একটি ছোট বিদ্যাসাগরের মূর্তি তুলে দেওয়া হয়েছে বলে জানান সংগঠনের সদস্যরা।

এদিন মূর্তি উন্মোচন উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। নাচ, গান, আবৃত্তি সহ নানান সাংস্কৃতিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে অনেকেই। করোনা পরিস্থিতিতে এবছর সামাজিক ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি সহ বিদ্যাসাগরের জন্মের দ্বিশতবর্ষে সারা বছর ধরে নানান কর্মসূচি নিয়ে এসেছে এই কমিটি। আলোচনা সভায় বিদ্যাসাগরের জীবনাদর্শ সহ নানান ঘটনাবলী নিয়ে আলোচনা করেন বক্তারা। বিদ্যাসাগরের জন্মের দ্বিশতবর্ষ পূর্তিতে এলাকায় বিদ্যাসাগরের জীবনচর্চা গড়ে তোলার আহ্বান জানান হয়েছে।উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক পরেশ বেরা,শিক্ষক নারায়নচন্দ্র প্রধান, সংগঠনের ব্লক সভাপতি সুভাষ চন্দ্র জানা, ব্লক সম্পাদক প্রবীর ভট্টাচার্য্য, অনুষ্ঠানের সভাপতি অরুন কুমার পাত্র, অঞ্চল সম্পাদক অনুপ কুমার মাইতি, প্রশান্ত কুমার জানা, চয়ন কুমার বেরা,অরুন দে সহ অনেকেই।




%d bloggers like this: