সুর বদলেছেন কল্যান বন্দোপাধ্যায়,শুভেন্দু বললেন তৃণমূল ছাড়িনি

কলকাতা: শুভেন্দুকে নিয়ে করা মন্তব্যের উলটো সুর গাইলেন কল্যাণ বন্দোপাধ্যায় ৷ দলীয় কোন্দল প্রকাশ্যে এলে যা হয়। একে অপরের দিকে কাঁদা ছোড়াছুঁড়ি, তীর্যক মন্তব্য। আর এই মুহুর্তে রাজ্য শাসক দলের ভেতর চলছে ডামাডোল। একের পর এক দল পরিবর্তন। সামনেই বিধানসভা ভোট। আর ভোট নিয়ে তৃণমূল, বিজেপি, সিপিএম সবারই প্রস্তুতি তুঙ্গে। এই প্রসঙ্গেই সেদিন এক সভায় বেফাঁস মন্তব্য করে বসেন তৃণমূলের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেছিলেন, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় না থাকলে পুরসভার সামনে আলু বিক্রি করতিস রে। দাদার অনুগামীরা দাদার সঙ্গে চলে যাক। হিসাবটা আমরা বুঝে নেব।’ এবার এই অবস্থান থেকেই আমূল পালটে ফেললেন তাঁর বক্তব্য। এদিন রামনগরের সভায় বললেন, আমি খুব খুশি। শুভেন্দুর সব কথাকে আপন করে নিলাম’।
এদিন রামনগরের সভা চলাকালীন বক্তব্যে শুভেন্দু সাফ সাফ জানালেন, মুখ্যমন্ত্রী আমাকে দল থেকে তাড়াননি, আমিও দল ছাড়িনি’। শুভেন্দুর মুখ থেকে এই কথা শোনার পর স্বভাবতই তৃণমূলের অভ্যন্তরে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে দেখা গেল।
পরিস্থিতি যখন অন্যদিকে ঘুরছে তখন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে বলতে শোনা গেল, ‘শিশির অধিকারী আমার পিতার মতো। উনাকে শ্রদ্ধা করি। পরিবারের প্রতি অগাধ ভালোবাসা আছে। তাহলে শুভেন্দুর প্রতি থাকবে না কেন? আমি স্বইচ্ছায় কিছু বলি না, নিজের ঢাকও পেটাই না। শুভেন্দু আজ সভায় যা বলেছে, দলের জন্য ভালো।’ কিছুদিন আগেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় ‘দাদার অনুগামী’ নামে পোস্টার ছড়াতে দেখা যায়। সেই ইস্যুতেই
এই পরিস্থিতিতে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘শিশির অধিকারী পিতৃস্থানীয়। তাঁকে শ্রদ্ধা করি। তাঁর পরিবারের প্রত্যেকের প্রতি ভালোবাসা আছে। শুভেন্দুর প্রতি আমার ভালোবাসা কেন থাকবে না? আমি ঢাক বাজাই না, আমি বুকও বাজাই না।




%d bloggers like this: