দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে কলকাতায় পৌঁছেছে কোভিশিল্ড ভ্যাকসিন

নিজস্ব প্রতিবেদক: অবশেষে কলকাতায় এলো করোনার ভ্যাকসিন কোভিশিল্ড। পুণে থেকে SG 7450 বিমানে করে কলকাতা বিমানবন্দরে এলো করোনার ভ্যাকসিন।

এদিন পুণের সেরাম ইন্সটিটিউট থেকে এসেছে কোভিশিল্ড ভ্যাকসিন। তার জন্যে আগে থেকেই বিমানবন্দরে রাখা ছিল চারটি ইনসুলেটেড ভ্যান।

যার মধ্যে দুটি ভ্যান রাখা হয়েছিল স্ট্যান্ডবাই হিসেবে। আর দুটি ইনসুলেটেড ভ্যানে করে বাগবাজার কেন্দ্রীয় মেডিক্যাল স্টোরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে ভ্যাকসিন। এবার সেখান থেকে ভ্যাকসিন যাবে শহরের বিভিন্ন জায়গা এবং রাজ্যের বিভিন্ন জেলার ৯৪১টি কেন্দ্রে।

তথ্য সূত্রে জানা গিয়েছে, এই SG 7450 ‌বিমান করেই ভ্যাকসিন যাবে দেশের আরেক কেন্দ্র গুয়াহাটিতে। আর সেখান থেকে উত্তর–পূর্ব ভারতের বিভিন্ন এলাকায় পৌঁছে যাবে কোভিশিল্ড। অন্যদিকে, কলকাতায় এসে পৌঁছেছে ৯ লক্ষ ৬০ হাজার ভ্যাকসিনের ডোজ।

যার মধ্যে মোট ৮৩টি বাক্সে রয়েছে ভ্যাকসিনের ডোজ। যে ভ্যানে ভ্যাকসিন পরিবহণ করা হচ্ছে তাতে রাখা আছে অত্যাধুনিক জিপিএস ব্যবস্থা। যার জেরে স্বাস্থ্য ভবনে বসেই দেখা যাবে ভ্যানগুলি কোথায় যাচ্ছে।

যদি ভ্যানগুলি কোনওরকম দুর্ঘটনা বা অন্য কোনও সমস্যায় পড়ে উদ্ধারের ক্ষেত্রে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে পারবে প্রশাসন।
প্রসঙ্গত, দুপুর দেড়টা নাগাদ SG 7450 ‌বিমান অবতরণ করে দমদম বিমানবন্দরে। সেইসময় সেখানে হাজির ছিলেন রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের প্রতিনিধি ও পুলিশ আধিকারিকরা। ভ্যাকসিন খুব যত্নে এবং অনেকটা সময় নিয়ে ইনসুলেটেড ভ্যানে তোলা হয়। তারপর সেখানে থেকে তা নিয়ে যাওয়া হয় বাগবাজারে কেন্দ্রীয় মেডিক্যাল স্টোরে।

প্রসঙ্গত, সোমবার বিকেলেই জানা যায় যে,সিরামের সঙ্গে টিকা করণ নিয়ে সরকারি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে কেন্দ্র। এরপর থেকে শুরু হয় দেশ জুড়ে বিভিন্ন প্রান্তে কোভিশিল্ড পৌঁছানোর প্রস্তুতি। এদিন ভোর ৫টা থেকে সিরামের কারখানার সামনে কড়া নিরাপত্তায় ওই বিশেষ ট্রাকগুলিকে বেরিয়ে আসতে দেখা যায়।

একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় ওই ভ্যাকসিনগুলো রাখতে হবে। আর ট্রাকগুলিতে সেই বন্দোবস্ত করা আছে। এদিন ভোররাতে ট্রাক বের হওয়ার আগে নারকেল ফাটিয়ে ট্রাকের যাত্রা শুরু হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন পুলিশের ডেপুটি কমিশনার নম্রতা পাটিল।




%d bloggers like this: