সবংয়ে দমকল স্টেশনের ভার্চুয়াল শিলান্যাস করলেন মুখ্যমন্ত্রী

তারক হরি, পশ্চিম মেদিনীপুর: পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার সবংয়ে দমকল স্টেশনের ভার্চুয়াল শিলান্যাস করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
জেলার সবং এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল সেখানে একটি দমকল কেন্দ্র স্থাপন করা হোক। সেই দাবি মেনে এবার সবংয়ের বোনাই গ্রামে তৈরি করা হচ্ছে দমকল কেন্দ্র। এলাকার মানুষের দীর্ঘ দিনের দাবি মেনে অগ্নি নির্বাপক কেন্দ্রের শিলান্যাস হয়ে গেলো বুধবার দুপুরে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুরুলিয়া থেকে ভার্চুয়াল মাধ্যমে বোনাই গ্রামে এই অগ্নি নির্বাপক কেন্দ্রের শিলান্যাস করেন।

পশ্চিম মেদিনীপুর জেলাতে এই প্রথম গ্রামীন এলাকায় দমকল বসলো। এইদিন সবংয়ের বনাইয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শিল্যানাসে উপস্থিত ছিলেন জেলাশাসক রেশ্মি কমল, জেলার পুলিশ সুপার দীনেশ কুমার, তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ মানস রঞ্জন ভুঁইয়া, জেলা পরিষদের সহ সভাধিপতি অজিত মাইতি, বিধায়ক গীতা রানী ভুঁইয়া, দমকল বিভাগের আধিকারিক সহ প্রশাসনের অনান্য কর্তা ব্যাক্তিরা। অত্যন্ত গ্রামীন এলাকায় এই ধরনের দমকল স্টেশন দেখে খুশি এলাকার মানুষজন। এর ফলে সবং, ডেবরা, পিংলাও উপকৃত হবে। কারন কোথাও আগুন লাগার ঘটনা ঘটলে খড়গপুর বা মেদিনীপুর থেকে দমকলের গাড়ী আসতে অনেক সময় লাগতো।

জানা গিয়েছে, বোনাই গ্রামের বাসিন্দা মলয় দাস৷ তিনি এই অগ্নি নির্বাপক কেন্দ্র তৈরির জন্য রাজ্য সরকারকে জমি দান করেছেন। প্রায় ৪৩ ডেসিমাল জায়গায় গড়ে উঠবে এই কেন্দ্র। এর জন্য বরাদ্দ হয়েছে অর্থও। পাশাপাশি ৫-৬টি ব্লকে এই দমকল পরিষেবা দেবে। প্রাথমিক পর্যায়ে আপাতত দুটি ইঞ্জিন সামাল দেবে এই পরিষেবা।

এই প্রসঙ্গে সাংসদ মানস ভুঁইয়া জানিয়েছেন, “প্রায় দেড় বছর ধরে চেষ্টা করার পর এই গ্রামীন ব্লকে অগ্নি নির্বাপক কেন্দ্র তৈরির জন্য কাজ শুরু হল। এর জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে অনেক ধন্যবাদ জানাই । এছাড়া সবং-এর সারতা অঞ্চলে ফায়ার স্টেশন এবং রুইনানে ২ একর জায়গার উপর এসবিএসটিসি বাস ডিপো ও বাস টার্মিনালের শিলান্যাস করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফায়ার স্টেশন তৈরির জন্য প্রাথমিভাবে আনুমানিক প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।”

বিধায়ক গীতারানী ভুঁইয়া বলেন, “এই কাজ করে দেওয়ার জন্য বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর কাছে চির কৃতজ্ঞ থাকলাম ।”
বুধবার আনুষ্ঠানিক ভাবে সবংয়ের ঝুলিতে একাধিক সরকারি শিলান্যাসের সিলমোহর, স্বাভাবিক ভাবেই তাই খুশির হাওয়ায় ভাসছে গোটা সবং বাসি তথা পশ্চিম মেদিনীপুর।




%d bloggers like this: