সেজে উঠছে মুখ্য়মন্ত্রীর ঘুরে আসা আদিবাসী গ্রাম, রাস্তাঘাট-বিদ্যুৎ-শৌচাগার পাবেন দরিদ্র গ্রামবাসীরা

রোহিত সেখ, বীরভূম: গ্রামবাসীদের ঘুম ভাঙতে না ভাঙতেই সটান বীরভূমের জেলাশাসককে নিয়ে হাজির পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি রোশনি সেন। সঙ্গে রয়েছেন বোলপুরের বিডিও সহ অন্যান্য আধিকারিকরা। ৩০ ডিসেম্বর মুখ্যমন্ত্রী বল্লভপুরডাঙ্গা আদিবাসী গ্রামে আচমকাই পৌঁছে যান। কথা বলেন গ্রামবাসীদের সঙ্গে। গ্রামবাসীদের অভাব-অভিযোগের কথা শুনে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ দেন সেই গ্রামকে ঢেলে সাজানোর জন্য। সেই কাজ এখন ঠিক কোন পর্যায়ে? তা খতিয়ে দেখছে রাজ্যের উচ্চ পর্যায়ের আধিকারিকরা।

৩০শে ডিসেম্বর বীরভূম থেকে ফেরার পথে আচমকাই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চলে গিয়েছিলেন বল্লভপুরডাঙ্গা আদিবাসী গ্রামে। কথা বলেছিলেন প্রত্যন্ত গ্রামের আদিবাসী মানুষদের সঙ্গে। সশরীরে গ্রামবাসীদের ঘরের উঠোনে দাঁড়িয়ে শুনেছিলেন তাদের অভাব-অভিযোগের কথা। গ্রামের মাটিতে দাঁড়িয়ে জেলাশাসক কে নির্দেশ দিয়েছিলেন পানীয় জল থেকে রাস্তাঘাট, বিদ্যুৎ , শৌচাগারের সামগ্রিক ব্যবস্থা করার। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ মাত্রই বীরভূম জেলা প্রশাসন সেই গ্রামটিকে মডেল ভিলেজ হিসেবে গড়ে তোলা কার্যত চ্যালেঞ্জ করেছিলেন। ঘটনার কুড়ি দিনের মধ্যেই অধিকাংশ কাজ শেষ করে ফেলেছেন বীরভূম জেলা প্রশাসন।

বুধবার সকালে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্বনির্ভর গোষ্ঠীর প্রধান সচিব রোশনি সেন, বীরভূমের জেলাশাসক বিজয় ভারতী, বোলপুরের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক শেখর সাই এবং রূপপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের আধিকারিকদেরকে নিয়ে সেই বল্লভপুর ডাঙ্গা আদিবাসী গ্রাম পরিদর্শন করেন। কথা বলেন গ্রামবাসীদের সঙ্গে। কোথায় কি কাজ হয়েছে? কতটা কাজ বাকি আছে? তা সশরীরে খুঁটিনাটি দেখলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্বনির্ভর গোষ্ঠীর প্রধান সচিব। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে গ্রাম ঢেলে সাজছে। স্বভাবতই খুশি বল্লভপুরডাঙ্গা আদিবাসী গ্রামের মানুষজন।




%d bloggers like this: