১৯৪৭ নয় , এটা ১৯৪৮ এর গল্প!!


অন্তরা বিশ্বাস, নদীয়া:দিনটা ছিল ৩০শে জানুয়ারি,১৯৪৮ সাল।বিল্লার প্রার্থনাগৃহে নাথুরাম গডস কতৃক গুপ্তহত্যার শিকার হয়েছিলেন আমাদের বাপুজি।অহিংস অসহযোগ আন্দোলনের প্রাণপুরুষ ছিলেন তিনি।তার মৃত্যু দিবসকে ,স্বাধীনতা আন্দোলনে তার অবদানকে স্মরণ করে রাখার জন্য ৩০শে জানুয়ারি শহীদ দিবস হিসেবে পালন করা হয়।ইতিহাসের পাতায় তার অবদান,তার কর্মকান্ড দুটো যুগের সমান।

সালটা ১৯১৫।গান্ধিজি দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে সদ্যসমাপ্ত সফল সত্যাগ্রহ আন্দোলনের অভিজ্ঞতা নিয়ে ফেরেন।অহিংসা,অসহযোগ,সত্যাগ্রহ,স্বরাজ,সর্বোদয় এর আদর্শ তুলে ধরেছিলেন এই মহামানব।১৯২০তে ফিরিয়ে দেন ব্রিটিশদের দেওয়া ‘কাইজার ই হিন্দ’।১৯৩০এর ১২ই মার্চ,৭৯ জন সত্যাগ্রহীকে নিয়ে তিনি ২৪দিনে ২৪১মাইল পথ পায়ে হেঁটে সবরমতী থেকে ডান্ডিতে উপনীত হন।এই সবের মাঝে রয়েছে আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের সুদীর্ঘ ইতিহাস।বহু বাদানুবাদ।বিতর্কিত নানা মতাতমত।বহু আত্মবলিদান।

রাজঘাটে তার সমাধিস্হলে আজকের দিনে রাষ্ট্রপতি,উপরাষ্ট্রপতি,প্রধানমন্রী,সশস্র সেনাবাহিনীর উপস্হিতির মধ্য দিয়ে তার প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য জ্ঞাপন করা হয় ।শহীদদের আত্মার শান্তি কামনা করা হয়।দোদুল্যমান তেরঙা কেতন ২মিনিটের নিরবতার মাঝে ,দেশমায়ের জন্য নিবেদিত হিমশীতল নিথর দেহগুলিকে স্মরণ করিয়ে দেয়…..বেদনার শোকাশ্রুতে ভারাক্রান্ত হয়ে ওঠে হৃদয় ..




%d bloggers like this: