রাম মন্দিরের ভূমি পূজা উপলক্ষ্যে হাওড়ার বিজেপি কর্মীদের যজ্ঞ মিষ্টিমুখ


নিজস্ব সংবাদদাতা,হাওড়াঃ উত্তর প্রদেশের অযোধ্যায় রাম মন্দিরের ভূমিপূজা উপলক্ষ্যে বুধবার (৫ আগষ্ট) হাওড়ায় বিজেপি কর্মীদের মধ্যে উন্মাদনা ছিল চোখে পড়ার মতো। হাওড়াকে সাংগঠনিক ক্ষেত্রে দুটি জেলায় ভাগ করা হয়েছে,একটি গ্রামীণ ও অপরটি সদর হাওড়া। বলাবাহূল্য দুটি সাংগঠনিক জেলার বিজেপি নেতৃত্ব ও কর্মী সর্মথকদের মধ্যে টক্করে কার্যত এগিয়ে গ্রামীণ হাওড়া।
সদর হাওড়ার বিজেপি সর্মথকরা সকলে মিলিতভাবে হাওড়া রামরাজাতলায় রামমন্দিরে পূজা পাঠের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে মিষ্টি বিতরন করে। সদর হাওড়ায় এদিনের এই কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় সিং,সদর জেলা সভাপতি সুরজিৎ সাহা,তুহিনা ভট্টাচার্য সহ অন্যান্যরা।
অপরদিকে গ্রামীণ হাওড়ার উলুবেড়িয়া,রাজাপুর,শ্যামপুর,বাগনান,বাউরিয়া,আমতা,উদয়নারায়নপুর সহ একাধিক এলাকায় হনুমান মন্দির গুলিতে পূজা পাঠের পাশাপাশি অস্থায়িভাবে ছাউনি তৈরি করে পূজাপাঠের পাশাপাশি হোমযজ্ঞের আয়োজন করা হয়। সামাজিক সুরক্ষা বিধির মান্যতা দিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিতরন করা হয় মাস্ক ও স্যানিটাইজার। পূজাস্থল গুলিতে সাধারণ মানুষের জন্য বিতরন করা হয় মিষ্টি।
জেলার সর্বত্রই দুপুরে শঙ্খধ্বনি ও সন্ধ্যায় প্রদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে আজকের দিনটিকে স্মরন করে বিজেপি সর্মথকরা। জেলার বেশকিছু জায়গায় পটকা ফটিয়ে শব্দ দূষণের মাত্রা বাড়িয়ে কার্যত অকাল দীপাবলি পালন করে বিজেপি কর্মী সর্মথকরা।
গ্রামীণ হাওড়ায় এদিনের এই কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন জেলা সভাপতি শিবশঙ্কর বেজ,সাধারন সম্পাদক প্রত্যুষ মন্ডল সহ অন্যান্যরা। এই প্রসঙ্গে বিজেপি নেতৃত্বের দাবি ” গত ৫০০ বছরের প্রতিক্ষার অবসান। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ হিন্দু ধর্মাবিলম্বি মানুষের চাহিদা পূরন করায়। কিন্তু আমাদের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতির জন্য বিশ্বের সমস্ত হিন্দুদের উন্মাদনা থেকে লকডাউন জারি করে রাজ্যবাসীকে বঞ্চিত করা জন্য উঠেপড়ে লেগেছেন। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই। রাজনৈতিক ভাবে তৃণমূলের এই ঘৃন্য রাজনীতির তীব্র বিরোধীতা করি।




%d bloggers like this: