মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে ফেরিঘাট পরিদর্শনে ৩ সদস্যের প্রতিনিধি দল

নিজস্ব সংবাদদাতা, পূর্ব মেদিনীপুর:- মহামারী করোনা ভাইরাসের কারনে গত প্রায় আড়াই মাস ধরে লকডাউনের জেরে বন্ধ রয়েছে গেঁওখালি- নুরপুর,গেঁওখালি- গাদিয়াড়া রায়চক-কুঁকড়াহাটিফেরি সার্ভিস। এরপর চলতি মাসের প্রথম থেকে ফেরি চলাচলের অনুমতি দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।কিন্তু কাল হয়ে দাঁড়ায় সুপার সাইক্লোন “আমফান”। ঘূর্ণিঝড় আমফানের প্রভাবে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার বেশ কয়েকটি ফেরিঘাট একেবারে বিপদজনক হয়ে পড়ে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ পাওয়ার পর যদিও একদিন ফেরী চলাচল চালু হয়েছিল কিন্তু এরপর ফেরিঘাটের অবস্থা বিপদজনক হওয়ার জন্য ফের ফেরি চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয় জেলা প্রশাসন। এরপর বুধবার ফেরিঘাট পরিদর্শনে আসেন নবান্নের তিন প্রতিনিধি দল। বুধবার দুপুরে গেঁওখালি ফেরি ঘাট পরিদর্শন করতে আসেন কুন্দন চান্ডা, অরুন দে ও মানবেন্দ্র ভট্টাচার্য। এদিন নবান্নের এইতিন প্রতিনিধি ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আর টি ও সজল অধিকারি, মহিষাদল ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক জয়ন্ত দে, মহিষাদল পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি শিউলি দাস, সহ-সভাপতি তিলক কুমার চক্রবর্তী সহ অন্যান্যরা। নবান্নের তিন প্রতিনিধিরা দ্রুত সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন। এদিন সজলবাবু জানান, প্রতিনিধি দল ফেরিঘাটের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে কয়েকদিনের মধ্যে একটি রিপোর্ট জমা করবেন। সেই রিপোর্ট পাওয়ার পর ফেরি সার্ভিস কবে থেকে চালু করা হবে যাত্রীদের জন্য তা জানানো হবে। আশাকরা যায় গেঁওখালী – নুরপুর ফেরিসার্ভিস আগামী সপ্তাহের প্রথমের দিক থেকে খোলা হতে পারে যাত্রীদের জন্য।।




%d bloggers like this: