দুর্গাপুরে সিভিক পুলিশের অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য।

নিজস্ব সংবাদদাতা,পশ্চিম বর্ধমান : পশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুর থানার নিউটাউন ফাঁড়িতে সিভিক ভলান্টিয়ার হিসাবে কাজ করতেন হেমন্ত কুমার রজক (২৯) ৷ আজ ভোরবেলায় বাবার লন্ড্রির দোকানে অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে দুর্গাপুর ইস্পাত হাসপাতালে নিয়ে যায় পরিবারের লোকজন ৷ প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করেছেন তিনি ।
সিভিক ভলান্টিয়ারের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনার তদন্তে নেমেছে দুর্গাপুর থানার পুলিশ । দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয় দেহ ।
দুর্গাপুর থানা বি-জ়োন এলাকার বিদ্যাপতি রোডের বাসিন্দা হেমন্ত কুমার রজক। নিউটাউন ফাঁড়িতে সিভিক ভলান্টিয়ার হিসাবে কাজ করতেন । প্রায় বছর দেড়েক আগে তাঁর বিয়ে হয় । তাঁর পরিবারের লোকের দাবি স্ত্রীর সাথে বনিবনা হত না ও স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে অশান্তি লেগেই থাকত । গতকাল রাতে বাড়িতে না গিয়ে হেমন্ত কুমার রজক চণ্ডীদাস বাজারে তাঁর বাবার লন্ড্রির দোকানের পেছনে এসে থাকেন । আজ ভোরবেলায় হেমন্তর বাবা দোকানে এসে দেখেন, ছেলে ভেতরে শুয়ে আছে এবং তাঁর মুখ দিয়ে ফ্যনা বেরোচ্ছে । বড় ছেলে প্রশান্ত কুমার রজক এবং আরও দু-একজন লোক এসে অচৈতন্য অবস্থায় হেমন্তকে নিয়ে যান দুর্গাপুর ইস্পাত হাসপাতালে । তাঁকে ভরতি করা হয় ICU বিভাগে । কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই হেমন্তর মৃত্যু হয় । প্রশান্ত কুমার রজক বলেন , বেশ কিছুদিন ধরে আমার ভাই মনমরা থাকত । তার স্ত্রীর সাথে মাঝেমধ্যেই বনিবনা হত না । অনুষ্ঠান করেই এক বছর আগে ভাইয়ের বিয়ে হয় । দুজনে রেজিস্ট্রি ম্যারেজও করে । কিন্তু কী কারণে ভাই মনমরা থাকত তা কাউকে বলেনি কখনো। পুলিশ ঘটনার তদন্তে নেমে ওই দোকান ঘরের পেছন থেকে একটি বোতল উদ্ধার করে । প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করেছেন হেমন্ত কুমার রজক । কিন্তু কী কারণে হেমন্তর সাথে তাঁর স্ত্রীর বনিবনা হচ্ছিল না, সবকিছু খতিয়ে দেখছে পুলিশ ।




%d bloggers like this: